খোয়াই পৌর নির্বাচনে বাম-কংগ্রেসের পৃথক লড়াই, আসন সমঝোতা ছাড়াই মনোনয়ন দাখিল দুই দলের
আসন্ন পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে খোয়াইয়ে ক্রমশই স্পষ্ট হচ্ছে রাজনৈতিক সমীকরণের ভিন্ন চিত্র। বামেদের সঙ্গে কোনও ধরনের আসন সমঝোতা ছাড়াই খোয়াই পৌর পরিষদের নির্বাচনে পৃথকভাবে মনোনয়নপত্র দাখিল করল কংগ্রেস। অন্যদিকে, বামফ্রন্টের তরফ থেকেও পৌর পরিষদের ১৫টি ওয়ার্ডেই প্রার্থী দিয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করা হয়েছে।

খোয়াই ::আসন্ন পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে খোয়াইয়ে ক্রমশই স্পষ্ট হচ্ছে রাজনৈতিক সমীকরণের ভিন্ন চিত্র। বামেদের সঙ্গে কোনও ধরনের আসন সমঝোতা ছাড়াই খোয়াই পৌর পরিষদের নির্বাচনে পৃথকভাবে মনোনয়নপত্র দাখিল করল কংগ্রেস। অন্যদিকে, বামফ্রন্টের তরফ থেকেও পৌর পরিষদের ১৫টি ওয়ার্ডেই প্রার্থী দিয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করা হয়েছে।
ফলে খোয়াই পৌর নির্বাচনে বাম ও কংগ্রেসের পৃথকভাবে লড়াই করার বিষয়টি রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। উল্লেখ্য, খোয়াই জেলার তেলিয়ামুড়ায় বাম ও কংগ্রেসের যৌথ মিছিলের মধ্য দিয়ে আসন সমঝোতার ভিত্তিতে মনোনয়ন দাখিলের চিত্র সামনে এলেও জেলার সদর মহকুমা খোয়াইয়ে দেখা গেল সম্পূর্ণ বিপরীত পরিস্থিতি। এখানে দুই দলের মধ্যে কোনও আসন সমঝোতা ছাড়াই পৃথকভাবে নির্বাচনী ময়দানে অবতীর্ণ হওয়ার ছবি স্পষ্ট হয়েছে।
মঙ্গলবার খোয়াই মহকুমা শাসক তথা রিটার্নিং অফিসার রিমিতা সাহার কাছে কংগ্রেসের চারজন প্রার্থী তাঁদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। কংগ্রেসের প্রার্থীদের মধ্যে ১২ নম্বর ওয়ার্ডে রঞ্জিত বর্ধন, ১১ নম্বর ওয়ার্ডে পরিতোষ দাস, ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ঝুমা ভট্টাচার্য এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ডে নিখিল চক্রবর্তী মনোনয়নপত্র জমা দেন। অন্যদিকে, গত ২ নভেম্বর দিনভর রাজনৈতিক উত্তেজনা ও টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে বামফ্রন্টের ১৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৩টি ওয়ার্ডে প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন।
বাকি থাকা ৯ ও ১৫ নম্বর ওয়ার্ডেও মঙ্গলবার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়। ৯ নম্বর ওয়ার্ডে মিহিকা চক্রবর্তী এবং ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে নির্মল বিশ্বাস (সাধু) বামফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এর মধ্য দিয়ে খোয়াই পৌর পরিষদের ১৫টি ওয়ার্ডেই বামেদের মনোনয়ন দাখিল সম্পন্ন হয়। সব মিলিয়ে আসন্ন খোয়াই পৌর নির্বাচনে বাম ও কংগ্রেসের পৃথকভাবে প্রার্থী দেওয়ার বিষয়টি রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বিশেষ করে জেলার অন্য একটি পৌর এলাকায় দুই দলের মধ্যে আসন সমঝোতার ছবি সামনে আসার পর খোয়াইয়ের এই ভিন্ন অবস্থান নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।
তবে এই পৃথক লড়াইয়ের পিছনে দুই দলের সাংগঠনিক অবস্থান ও রাজনৈতিক কৌশল কী, তা নিয়ে দলীয় নেতৃত্বের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য সামনে আসেনি। এখন দেখার, নির্বাচনের প্রচারপর্বে এই পৃথক অবস্থান কতটা প্রভাব ফেলে খোয়াইয়ের পৌর রাজনীতিতে।